ইসলামী সঙ্গীত লিরিক্স

Tuesday, 17 August 2010

আল্লাহ আমার তোমার কাছে

আল্লাহ আমার তোমার কাছে
চাওয়ার কিছু নাই
তুমি যা বুঝেছ তাই দিয়েছ
আর কিছু না চাই।।

যেমন সাজে তেমনি সাজাও
যেমন বাজে তেমনি বাজাও
যেমন খুশী হাসাও কাঁদাও
যখন যেরূপ তাই।।

নিজের কিছু নাই হে মালিক
নয় কিছু আমার
জীবন ও মান ধন ও দৌলত
সকলি তোমার।।

যখন যা দাও হাসি মুখে
গ্রহন করি পরম সুখে
আরজু শুধু আমার বুকে
তোমায় যেন পাই।।

-আজীজুর রহমান-

তোমার নামের তসবীহ খোদা

তোমার নামের তসবীহ খোদা
লুকিয়ে যেন রাখি
সংগোপনে মনে মনে
তোমায় যেন ডাকি।।

মস্তানা সে নেশার ঝোঁকে
নীরব উদাস দুঃখ শোকে
আমি যেন সবার চোখে
পাপী হয়ে থাকি।।

সবাই আমায় করুক ঘৃনা
চাইনা ফুলের মালা
তোমার নামের আবেহায়াত
মিটাক প্রানের জ্বালা।।

মাটির খোলা সাঙ্গঁ হলে
তখন যেন যায়গো চলে
আল্লাহ আল্লাহ বলে
আমার পরান পাখি।।

-আজীজুর রহমান-

স্বপ্নের ঘুড়ি ওড়ে আকাশে আকাশে

স্বপ্নের ঘুড়ি ওড়ে আকাশে আকাশে.
সুখ দু:খ ডানা মেলে বাতাসে বাতাসে ॥
মানুষ মানুষের জন্য, জীবন বিলিয়ে ধন্য ॥
সে আমার দেশ, আমার বাংলাদেশে।

কিষাণ বধু নকশী কাঁথাতে দূ:খ বেদনা আঁকে,
হলদে পাড়ের শাড়ি কপালে টিপ মেঠো পথে চেয়ে থাকে ॥
স্বপ্ন সোয়ামীর চরণ তলে
সুখের তারা হাসে।

গোধুলী বেলায় বাঁশের বাঁশিতে রাখাল তোলে সুর,
দোলা দিয়ে যায় সেই সে সুরে কখনো কখনো বিধুর ॥
সাঁঝের আকাশে মিটিমিটি
সুখতারারা হাসে।


কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন
২২.১১.২০০৭

আমার এই দেশ প্রিয় জন্মভূমি

আমার এই দেশ প্রিয় জন্মভূমি
ভালবাসি তোমায় অপরূপা তুমি।

তোমার মেঠো পথে রাখাল বাজায় বাঁশি
গানের সুরে সুরে,
সকালের সোনা রোদ আদর সোহাগে
হৃদয় মনও প্রাণ দেয় যে ভরে।
তোমার ধুলোমাটি আমার খেলার সাথী
দেয় সে যে পদচুমি।

তোমার সোনামাঠে হলুদ রবির আলো
ছড়ায় সবুজ জুড়ে,
আলোর গন্ধে এই হৃদয় দুয়ারে
মৌ মৌ করে যায় মধুর সুরে।
তোমার রূপ ও জ্যোতি মনের দুয়ার খুলে
গড়ে যায় প্রেমের মমি।


কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন

আমারও দেশেরও মাটি

আমারও দেশেরও মাটি
যেন বিছানো এক অপরূপ শীতল পাটি ॥

এখানে পাকা ধানের শীষে
কৃষকের হাঁসি আছে মিশে।
এখানে ঝিলের শান্ত জলে
পদ্ম হৃদয় মাতিয়ে তোলে।
প্রভাতের দূর্বা ঘাসে শিশির ছড়ানো
মুক্ত বিছানো পরিপাটি।

এখানে মেঠো পথের ধুলোয়
রাখালের বাঁশি দুঃখ ভুলায়।
এখানে বটের শীতল ছায়ায়
ক্লান্ত পথিক হৃদয়ও জুড়ায়।
মোহময় সন্ধ্যাকাশে চাঁদের পাশে
তারা হাঁসে মিটিমিটি।


কথাঃ আব্দুস শাকুর তুহিন
সুরঃ শোয়েব আলী

যেদিকে তাকাই পাই খুঁজে পাই

যেদিকে তাকাই পাই খুঁজে পাই,
জন্মভূমি গো, তোমারি রূপ সুষমা
জন্মভূমি গো, তোমারি নেই তুলনা।

ঐ কৃষ্ণচুড়ার বুকে তোমায় দেখি
ঐ কদম ফুলের পরে তোমায় দেখি।
ঐ শান্ত দীঘীর জলে তোমাকেই পাই
শাপলা শালুকের বুকে পাই যে তোমায়।
সুবজের রং মেখে তোমাতে হারায়।

এখানে প্রভাত আসে পাখিরও গানে
গান গেয়ে যায় তারা আল্লাহ নামে।

ঐ নদীর কলতানে তোমায় শুনি
ঐ পাখির কুহুগানে তোমায় শুনি।
ঐ সাদা সাদা কাশফুলের মাঝে
তোমায় খুঁজি আমি সকাল সাঁঝে।
নীলিম গগন এই মনে দোলা দেয়।


কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন

সবুজ শ্যামল রূপে ভরা আমার প্রিয় বসুন্ধরা

সবুজ শ্যামল রূপে ভরা আমার প্রিয় বসুন্ধরা
আমার সোনার দেশ
সে যে আমার জন্মভূমি আমার বাংলাদেশ।

আমার দীঘির শান্ত জলে,
শাপলা শালুক কলমীলতা মনের কথা বলে।
সূয্যি মামা সকাল বেলায় যায় দিয়ে যায় চুম
কপোল মাঝে চাঁদের ছোঁয়া লাগে বড় বেশ।

আমার দেশের ঐ আকাশে,
সন্ধ্যাবেলায় লক্ষ তারা মনের সুখে হাঁসে ॥
নীল জ্বোনাকী অন্ধকারে আসর জমায় বেশ-
এইতো আমার রূপবতি আমার প্রাণের দেশ।


কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন

ঝর্ণা নামে ঝর্ণা ঝর্ণা

ঝর্ণা নামে ঝর্ণা ঝর্ণা
মায়ের চোখে ঝর্ণা ঝর্ণা।

সে ধারা নেমেছিল বাহান্নতে চোখের কোণে,
ভাঙা নায়ে ভাষার বাদাম উড়ল যেদিন ভায়ের খুনে।
আজো সেই বাদাম খানি
উড়ছে দেখ নায়ের পরে,
তবু কেন আকাশ ভারী হচ্ছে মায়ের হাহাকারে।
হৃদয়ের রক্ত ক্ষরণ থামেনা।

সে ধারা নেমেছিল আমার দেশের ঘরে ঘরে,
বিনিময়ে স্বাধীনতা পেলাম যে ভাই একাত্তরে।
তবু কেন দেশটা মলিন
শোষন জুলুম নিপীড়নে,
মজলুম মানবতার অশ্রুধারা চোখের কোণে।
শান্তির পায়রা কেন ওড়েনা।


কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন

প্রকৃতির বুক জুড়ে সবুজের হাট

প্রকৃতির বুক জুড়ে সবুজের হাট
দিগন্ত বিস্তৃত অবারিত মাঠ।
কোন সেই দেশ, রূপের নেই শেষ
সবুজে শ্যামলে ভরা আমার এই দেশ।
আমার প্রিয় দেশ, তোমার প্রিয় দেশ, সবার বাংলাদেশ।

এখানে শীতের সকালে সবুজ ঘাসে
মুক্তকণা শিশিরের মেলা বসে।
শরতের সাদা সাদা কাশফুলে হায়
চোখ জুড়িয়ে যায় মন ভরে যায়।
কোন সেই দেশ..............

এখানে গোধুলি রবি লালিমা ছড়ায়
আঁকাবাঁকা শত নদী যায় বয়ে যায়।
এখানে প্রভাত আসে পাখিরও গানে
গান গেয়ে যায় তারা আল্লাহ্‌ নামে।
কোন সেই দেশ................

কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন

বাতাসের মত যদি হতো এই মন

বাতাসের মত যদি হতো এই মন,
উড়িয়ে দিতাম আমি তারে,
ডেকে ডেকে বলতাম যারে......
যা উড়ে মদীনার খেজুরের বন ॥

পাখির মত ডানা থাকতো যদি,
পেরিয়ে যেতাম আমি সাগর নদী ॥
রওজা যেয়ারতের বাসনায় এ হৃদয়
সদায় থাকে উচাটন।

ধন্য মদীনার ধুলি কণা,
রাসুলের পদ চুমে হলিরে সোনা ॥
সুরমার মত করে মাখাবো তোরে
ভরাবো আমার দু’নয়ন।


কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন
০৭.০১.২০১০

ইয়া রাসুলাল্লাহ, ইয়া কামলিওয়ালা

ইয়া রাসুলাল্লাহ, ইয়া কামলিওয়ালা,
ইয়া নাবিআল্লাহ, ইয়া হাবিবাল্লাহ ॥
তুমি এলে আলো হয়ে আঁধার ধরায়,
প্রাণে প্রাণে প্রাণের আলো দিলে ভরায় ॥
তুমি এলে বলে বসে গানের মেলা।

মরুর দেশে দুর মদীনায়,
উঠলো হেসে সেই আলোময় ॥
তাঁর ছোঁয়া পেয়ে ধন্য মানব জাতি,
ফুল পাখিরা তাঁর প্রেমে উঠলো মাতি ॥
নুরুন নূরে যায় দুরে প্রাণের জ্বালা।

শত্রু সেদিন বন্ধু হলো,
সঠিক পথের দিশা পেলো ॥
তাঁর হাসিতে ব্যথার নদী থেমে যায়,
মানুষে মানুষে ভেদাভেদ ভুলে যায় ॥
একই সুরে গায় সবে সালেস্নআলা।


কথা ও সুর: আব্দুস শাকুর তুহিন

Muhammad Mustafa

In the dark cave of Hira
Who cried everyday?
To stop murder and lie
Who prayed everyday?
Muhammad Mustafa, Ahmad Mustafa.

Who was hurt to see Bloodshed in the society,
Who taught human brotherhood And humanity.
Who brought light from Allah
To lighten life bay.

Who was beloved and chosen one By creator,
Who was mercy for mankind And who was teacher.
Who had broken all falsehood
And evil way.

Lyric: Abdus Shakur Tuhin

ইয়া রাসুলাল্লাহ, ইয়া হাবিবাল্লাহ, ইয়া নাবিআল্লাহ

ইয়া রাসুলাল্লাহ, ইয়া হাবিবাল্লাহ, ইয়া নাবিআল্লাহ ॥
তুমি এলে মরুর বুকে
ফুটলো আলোর ফুল,
সেই ফুলেরই রৌশনীতে দুনিয়া মাশগুল ॥

ভোরের আলো ফুটার আগে
ফুটলো সে ফুল কলি,
আলোর মশাল জ্বাললে ধরায়
আঁধার পায়ে দলি ॥
ছন্দ তুলে ফুল পাখিরা গাইলো মাশা আল্লাহ।

বদ্ধ ঘরে নতুন করে
হানলো কঠোর আঘাত,
নূরুন নূরে হৃদয় ঘরে
ভাসলো রাঙ্গা প্রভাত ॥
শিরায় শিরায় খুশির নাচন আলহামদুলিল্লাহ।


কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন
২৫.১০.২০০৭

আকাশের ঐ নীল ভালবাসি

আকাশের ঐ নীল ভালবাসি
সাগরের জল বড় ভালবাসি,
তার চেয়ে ভালবাসি সেই চাঁদমুখ
আঁধার গগনে যিনি আলোকরাশি।

মেঘের পাহাড় মাথার পরে
ছায়া দিত ভালবেসে,
শুকনো গাছে প্রাণের ছোঁয়া
লাগত তারই প্রাণ পরশে।
তারই প্রেমে আসল নেমে ঝর্ণাধারার জলরাশি।

মরুভূমি হল সজীব
তাহার পায়ের পরশ পেয়ে,
শাখে শাখে শত বুলবুল
তাহার নামে উঠল গেয়ে।
তারই তরে সুরে সুরে উঠল গেয়ে মদিনাবাসী।

তলায়াল বাদরু আলাইনা, মিনসানি ইয়াতিল উইদা,
ওয়াজাবাশ শুকরু আ’লাইনা, মাদায়া’ লিল্লাহিদা।


কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন

তুমি চলে গেছ দুরে হে প্রিয় নবী

তুমি চলে গেছ দুরে হে প্রিয় নবী,
তোমারি বিরহে কাঁদে এই ধরণীর সবি।

তোমারি আগমনে ফুটেছিল ফুল,
তোমার প্রেমে গেয়েছিল শত বুলবুল ॥
তোমায় পেয়ে উঠেছিল ধরায় নতুন রবি।

তুমি বিনা দ্বীনের রবি নিভূ নিভূ করে,
বীর মুসলিম এখন ঘুমায় অলস ভরে।

শকুনের কালো থাবা ঘিরেছে গগন,
মুমিনের রক্তে ভেজা পৃথিবী কানন।
তুমি বিনা এ সংসারে আসবে না শান্তি।


কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন

তুমি আমার প্রিয় নেতা খোদারই রাসূল

তুমি আমার প্রিয় নেতা খোদারই রাসূল,
জাহান জুড়ে ওগো নাবী নেই তোমারই তুল।

সব মানুষের সেরা তুমি, সৃষ্টিকূলের শ্রেষ্ঠ তুমি।
আল্লাহ তায়ালার হাবিব তুমি, মানবের আদর্শ তুমি।
রহমাতে আলম তুমি, সায়্যিদুল মুরসালিন তুমি।
তোমার প্রেমে মাতোয়ারা বিশ্ব সৃষ্টিকূল।

অন্ধকারে আলো তুমি, দ্বীন ইসলামের রবি তুমি
মহা সত্যবাদী তুমি, মিথ্যা বিনাশকারী তুমি।
ক্ষমার অবতার তুমি, পথের দিশারী তুমি।
তোমার নামে পড়ি দরুদ হয়ে যে মাশগুল।


কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন

ফুলের সেরা ফুল

ফুলের সেরা ফুল
সুবাসে তার দুনিয়া মাশগুল।

যার আগমনে এ ধরায় উঠলো নতুন রবি,
তার রঙে রঙিন হলো যে সবি।
পাপড়ি মেলে দিল হাজারা ফুল।

চাঁদে ও গ্রহণ লাগে সে মুখে লাগেনি গ্রহণ,
জাহেলি আঁধার কেটে আলোময় হলো এ ভুবন।

আলোর পাখিরা আলোর তরে উঠলো গেয়ে,
তপ্ত মরু ও উঠলো নেয়ে।
ভাসলো নূরুন নূরে হৃদয়ও কূল।


কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন

জন্ম আমার হত যদি ঐ আরবের দেশে

জন্ম আমার হত যদি ঐ আরবের দেশে,
দ্বীনের নকীব এলেন যেথায় সকল আঁধার নেশে।

ভালবেসে তিনি আমায় নিতেন কোলে তুলে,
তার পরশে দুঃখ যাতনআ যেতাম সবি ভুলে ॥
হৃদয় মাঝে সুখ পাখিটা গাইতো যে গান হেসে।

হতাম যদি পাহাড় কিবা শুকনো খেজুর বন,
তার পরশে হত সজীব আমার এই তনুমন ॥
সাদিক নূরে জীবন নদীর দুকূল যেত ভেসে।


কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন

আকাশের ঐ চাঁদ কত যে দেখেছি

আকাশের ঐ চাঁদ কত যে দেখেছি
তারাদের জোছনা কত যে মেখেছি
শুধু দেখেনি তোমার ঐ চাঁদমুখ,
সবুজ শ্যামলিমা কত যে দেখেছি
শাখায় শাখায় দোল কত যে খেয়েছি
তোমার ঐ চাঁদমুখ দেখিনি দেখিনি
হে রাসুল আমার প্রিয় রাসুল।

কবিদের কবিতায় কত যে খুঁজেছি
শিল্পীর তুলিতে কত ছবি এঁকেছি।
শয়নে স্বপনে গানে গানে সুরে সুরে হারিয়ে গেছি।
গোধুলীর লালিমা কত যে দেখেছি
রংধনু রঙে মন রাঙ্গিয়েছি ॥

সাগরের নীলিমায় কত যে খুঁজেছি
মেঘেরও ভেলায় কত যে ভেসেছি।
চেতনার ভাবনায় মননে চিন্তায় তোমারি তরে কেঁদেছি।
পাখিদের কুহু গান কত যে শুনেছি
শ্রাবনের সন্ধ্যায় তোমাকেই খুঁজেছি ॥


কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন

হারানোর বেদনা কেউতো বোঝে না

হারানোর বেদনা কেউতো বোঝে না,
ডুবেছি আঁধারে হারিয়ে জোছনা,
বুক জুড়ে আছে শুধু কান্না কান্না।

তোমারই বিরহে গানেরও বনে
সুরেরও পাখিরা কাঁদে সংগোপনে।
পাপড়ি না মেলে ঝরে গেল কত ফুল,
গান না ফুরায়ে উড়ে গেল বুলবুল।
তুমি নাবী পরপারে আমাকে ভুল না।

আহমাদ নামে আছে কোন সে শরার,
যে শরাব পিয়ে দেখি খুলে গেছে জান্নাতী বাব।

তোমারই বিরহে প্রেম কাননে
সবুজ পাতারা ঝরে ক্ষনে ক্ষনে।
ফাগুনে নামে যেন দুঃখেরও আগুন
বিরহ বীণায় বাজে সুর সুকরুণ।
স্বপ্নে তুমি এসে আমাকে তরাও না।


কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন

বালাগাল উলা বি কামালিহি

বালাগাল উলা বি কামালিহি
কাশাফুদ্দুজা বি জামালিহি
হাসুনাত জামিউ খিসলিহি
সাল্লু আলাইহি ওয়া আলিহি।

তুমি এলে তাই মরুর বুকে ফুটলো যে ফুল,
উঠলো গেয়ে বাগে বুলবুল।
খেজুর বিথিকায় পিউপাপিয়া
থেমে থেমে উঠলো ডাকি।

পুরানো রবি আর উঠলোনা সেদিন লজ্জা পেয়ে,
তোমার আলোয় ধরা গেল গো ছেয়ে।
গ্রহ চাঁদ সিতারা উথলে উঠে
তব পায়ে পড়ল লুটি।


কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন

তোমার আগমনে ত্রিভুবনে ত্রিভুবনে পড়ল সাড়া

তোমার আগমনে ত্রিভুবনে ত্রিভুবনে পড়ল সাড়া,
তোমার পরশ পেয়ে উঠল জেগে ঘুমের পাড়া।
তুমি আল আরাবী বিশ্বনাবী।

কোরআনের মশাল জ্বেলে দূর করিলে তুমি অন্ধকার,
মজলুম মানবতার অধরে দিলে হাসির নহর।
তুমি হাবিবাল্লাাহ রাসূলাল্ল্লাহ।
ছড়ালে তুমি বিশ্ব জাহানে শান্তি সুখের অমীয়ধারা।

তোমারি নামটি ধরে ঐ আকাশে পাখি গান গেয়ে যায়,
তোমাতে খুশি হয়ে আল্ল্লাহ তায়ালা সালাম পাঠায়।
তুমি কামলিওয়ালা সাল্লেয়ালা।
তোমার তরে দরুদ পড়ে জিন পরী আর ফেরেস-ারা।


কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন

Monday, 16 August 2010

কি আর আমি চাইবো বলো চাওয়ার কি বা আছে

কি আর আমি চাইবো বলো চাওয়ার কি বা আছে ?
সব দিয়েছো উজাড় করে
গুনাহগার এই পাপীর তরে,
পাই না খুঁজে চাওয়ার কিছুই প্রভূ তোমার কাছে।

পঞ্চ রিপুর মন্ত্রণাতে পথ ভুলে যাই আমি,
খুঁজতে গিয়ে পথের দিশা
গ্রাস করে ফের অমানিশা
আঁধার কালো ভাবি আলো বেভুল দিবসযামী ॥
তোমায় ভুলি তবুও তো তুমিই রাখো কাছে।

শুকনো পাতার মর্মরে তো সজীবতা সবুজ,
বৃষ্টি ধারায় শুভ্রতা রয়-বুঝেনা এ অবুঝ ॥

চোখের কোণায় বৃষ্টি নামাই পাষাণ পাথর গলে
হৃদয়পুরে বাণ ডেকে দাও
হেদায়াতের বৃষ্টি নামাও
পঙ্কিলতার লেশটুকুও যাক চলে যাক চলে ॥
নিঃস্ব পাপী অধম শুধু এই করুণাই যাচে।

কথাঃ আব্দুস শাকুর তুহিন
রাতঃ ১.৩২
২৮.০৭.২০১০

তোমার বন্দনার ভাষা খুঁজে পাই না

তোমার বন্দনার ভাষা খুঁজে পাই না,
কোন গানে ডাকি তোমায়
কোন সুরে ডাকি তোমায়
বুঝে আসে না ॥

আ আ আ আ
কোকিলের মত যদি কণ্ঠে থাকিত সুর,
তোমার নামের গান গাইতাম সুমধুর ॥
দোয়েলের মত করে
মুহু মুহু মুহু স্বরে ॥
ডাকা হয় না।

জোছনা বিলিয়ে চাঁদ তোমাকে স্মরে,
সুবাস ছড়ায় ফুল তোমার তরে ॥

সময়ের বাঁকে বাঁকে পথ চলা অবিরাম,
জীবনের প্রয়োজনে অবিরত সংগ্রাম ॥
পাহাড়ের বুক চিরে
ঝর্ণার মত ধীরে / নিভৃতে ধীরে ধীরে ॥
ডাকা হয় না।

কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন
০৩.০৫.২০১০
সন্ধ্যা ৭.৪৫

ও ঝর্ণাধারা বলনা আমায়

ও ঝর্ণাধারা বলনা আমায়
বলনা আমায় বল,
কেমন করে পাহাড় চিরে
জোরে কিবা ধীরে ধীরে
নামাস অথৈ জল ॥

সবাই বলে পাহাড় কাঁদে
তাইতো নামিস তুই,
কাঁদলে আকাশ যেমন করে
ভিজে যমিন ভুই।
আমি বলি এ কোন কথা
ঐ পাহাড়ে কিসের ব্যাথা
সবই মিছে ছল।


তোর ক্ষমতা নাই তো কিছুই
জানি আমি জানি,
“কুন ফায়্যা কুন” বলেন যিনি
তাকেই সবাই মানি।
তাঁর ইশারায় এঁকেবেঁকে
ঐ পাহাড়ের চুড়া থেকে
নামে রহম ঢল।

কথাঃ আব্দুস শাকুর তুহিন
০৭.১০.২০০৯
রাত ০১.০৩২৮.

আমার এই কণ্ঠের যতটুকু সুর

আমার এই কণ্ঠের যতটুকু সুর,
সবটুকু দান সেই মহান প্রভুর ॥
সুরেরও কারুকাজে নেই তো কিছুই আমার
তবু আমি গেয়ে যাই
যেতে চাই যেতে চাই
আলোর পথে বহুদুর।

কথারও মালা বোনে আকাশের তারা,
সুর নেমে আসে বেয়ে ঝর্ণাধারা ॥
তারাদের কথা আর ঝর্ণার সুরে গান গেয়ে যায়
কণ্ঠে যদি মেলে বেলালের সুর।

প্রভুরও কৃপা ঝরে ছন্দে ছন্দে,
অনত্ম্যমিলের ছোঁয়া বকুলের গন্ধে ॥
ছন্দে ছন্দে বকুলের গন্ধে গান রচে যাই
এ হৃদয়ে যদি মেলে আল্লাহর নূর।

কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন
১৭.০৪.২০০৯

আল্লাহু আল্লাহ আল্লাহু আল্লাহ

আল্লাহু আল্লাহ আল্লাহু আল্লাহ ॥
তোমার নামে দিবানিশি গ্রহ চাঁদ সেতারা
গান গেয়ে যায় ঝর্ণাধারা হয়ে পাগলপারা ॥
আল্লাহ আল্লাহ আল্লাহ ,
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।

আকাশ আমায় কথা দিল বাতাস দিল সুর,
তোমার প্রেমের কথা সুরে হৃদয়টা ভরপুর
নাচলো হৃদয়পুর।
মৌমাছিরা গুনগুনিয়ে গায় জাল্লেযালা।

সাগর দিল ছন্দ আমায় নদী দিল তান,
ছন্দ তানে প্রেমের টানে হৃদয়টা আনচান ॥
ফুল পাখিরা ছন্দ তানে
গায় সুবহান আল্লাহ।

কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন
৩০.০৭.২০০৯

আল্লাহ তুমি প্রিয়তম মোর

আল্লাহ তুমি প্রিয়তম মোর
তুমি মহা দয়াময়,
আমার ধ্যানে মন ও প্রাণে
তুমি শুধু প্রেমময় ॥

সুরে সুরে গাহি মহিমা তোমার,
যায় কেটে যায় এই মনেরও আঁধার ॥
নিত্য তোমারে স্মরণ করি
হৃদয়ে তোমার প্রেম নদী বয়।


চোখ মেলে দেখি সৃষ্টি তোমার,
সীমাহনি সৃষ্টি জ্ঞানেরও ওপার ॥
বৃক্ষ কলম যদি জল কালি হয়
তোমার তারিফ তবু শেষ নাহি হয়।

কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন
১৭.০৮.২০০৯

Allahummagfirli

Allahummagfirli warhamni wahdini (2)
Yaa Allah yaa Allah
You have given us our life,
Air and water to our survive.
Given us Rasulallah To guide us to achieve destiny.



You have given beautiful flowers in garden,
Given strength in organs to remove burden.
Allah....... Allah.......
Though there was no cause After getting all those,
We didn't pray/ praise to you
Inni mujrimu fa'fu anni.



You've created the universe for only us,
Made us best of all creation and glorious.
Allah........ Allah.........
We've deviated from the way you gifted.
Ihdinas siratal mustakim

Inni mujrimu fa'fu anni.


Lyric & tune: Abdus Shakur Tuhin

Allah Allah Allah

Allah Allah Allah, La-Elaha Ellallah
Subhan Allah, Al-hamduLillah !!

All things pray to You, only to You.
All are colored by the color of You.
You the Rahim, You the Karim
You the Jallejala.............




We can't find any language
for praising You,
How can we describe
the beautiful morning dew.
We don't know how the sky so high,
We don't know how the birds can fly.
We only know....
All things are created by Allah.

Lyric & Tune : Abdus Shakur Tuhin

গান লিখব বলে যখনই কলম ধরি হাতে

গান লিখব বলে যখনই কলম ধরি হাতে,
তখনই তোমার ছবি ভেসে ওঠে মনের আয়নাতে ॥

খুঁজতে গিয়ে ভাষা, আশা আর নিরাশা
দোলায়িত হয় তনু মন,
তোমাকে পাবার আশা, হয় নাকি সবনাশা
এই ভয়ে কাঁপি সারাক্ষণ।
চাই না বেহেশত আমি, ওগো অন্তরযামী,
তোমার দীদার চাই শেষ দিনেতে।

যোগ্যতা নেই মোর, তোমার বন্দনার ওগো প্রভু দয়াময়,
তবু কেন বারবার, গানের পাখি আমার গেয়ে উঠে সহসায় ॥

হৃদয় কানন মাঝে, নিত্য সকাল সাঁঝে
বাজে তোমার প্রেমের সানাই,
তোমার তরে আমার, ফুল ফোটা সরোবর
নিত্য যে সুবাস ছড়ায় ॥
চাই না যশ ও খ্যাতি, দাও মোরে সুমতি
তোমার পথেই চাই বিলীন হতে।

কথাঃ আব্দুস শাকুর তুহিন
সুরঃ ইউসুফ বকুল

তার রঙের চেয়ে আর কোন রং

তার রঙের চেয়ে আর কোন রং
শ্রেষ্ঠ কি কভু হতে পারে বল,
ফেরদৌসী সৌরভে মন রাঙ্গাতে
তোমার হৃদয়ে তার রং ঢালো।

তার রঙের সুধা পিয়েছে যে জন
ধন্য যে তার জীবন ও মরণ।
আলোকিত তার হৃদয় ও মন,
নেই সেথা একটুকু আঁধার কালো।

তার রঙের দাবী শুধু নয়তো ঈমান
বক্ষে চেপে ধর সবাই কোরআন।
শয়নে ও স্বপনে মননে
তার বাণী মনে রেখে সামনে চলো।

কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন

দুঃখ সাগরের ঘূর্ণিপাকে

দুঃখ সাগরের ঘূর্ণিপাকে
আটকে গেলে জীবন তরী,
আল্লাহ নামের পরশ তখন
সকল বাধা দেয় যে চিরি।

ব্যথার বানে বিদ্ধ হলে সুখ পাখিটার বুক,
চলার পথে দাঁড়ায় যদি পাহাড়সম দুঃখ।
সাহস কলি সুবাস ছড়ায় হৃদয় কানন ঘিরি।

মনোবলের ভেলা যদি যায় ভেসে অকূলে,
পথের দিশা যায় পাওয়া যায় তাঁকে স্মরণ এলে।

শুকনো পাতা হয়ে ঝরে গেলে মুখের হাঁসি,
সুখের ঘরে জ্বললে আগুন হয়ে সব বিনাশী।
নূরুন নূরে জীবন আকাশ সহসা যায় ভরি।

কথাঃ আব্দুস শাকুর তুহিন
সুরঃ ইউসুফ বকুল

তাওফিক দাও খোদা তোমার পথে চলার

তাওফিক দাও খোদা তোমার পথে চলার
হিম্মত দাও বুকে তোমার পথে লড়ার ॥

জীবন পথে চলতে গিয়ে আসবে শত বাধা,
সামনে যেন চলি দুর করে সংশয়
হৃদয়ের সকল দ্বিধা ॥
তোমার রহম চাই,
আর কোন পথ নয়
তোমার পথেই মোরে কর রাহবার।

জালিম শাসক অত্যাচারীর ভাঙ্গতে জুলুম বলয়,
খালিদের বাহুবল দাও মোর দুহাতে
আনতে কোরআনের জয় ॥
সুনানে রাসূলের
আলোতে জীবনের
আমানিশা কেটে যাক মনের আঁধার।

কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন

চাই না প্রভূ আর কিছুই আমি

চাই না প্রভূ আর কিছুই আমি
পেয়েছি তোমার রহমাত,
এসেছি ধরাতে বেঁচে আছি আজো
হয়ে রাসূলের উম্মাত।

সৃষ্টি করেছ আমাকে তুমি করেছ বলীয়ান,
দিয়েছ ঢেলে আমার তরে ফুল ফসল অফুরান ॥
আর কি চাই আমি, আর কি চাই বল
পেয়েছি মাখলুকের তখ্‌ত।

তোমার ইশারায় মেঘ ছুটে যায় নদী বয় পাখি গায়,
চাঁদ তারা হাঁসে রাতেরও আকাশে সূর্য আলো ছড়ায় ॥
গান গেয়ে যাই তোমারই প্রেমে আমি
হয়ে প্রভূ আহ্লাদ।

কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন

দয়াল আমার আল্লাহ তুমি

দয়াল আমার আল্লাহ তুমি
আমায় কর পার,
পরপারে পুলসিরাতে
তুমি ছাড়া নেই যে কেউ আমার ॥

পথ ভুলে হয়েছি বিপথগামী,
ছুটেছি আলেয়ার পেছনে আমি দিবসযামী ॥
তুমি ছাড়া করবে কে দূর মোর মনের আঁধার।

সারাক্ষণ করেছি নাফরমানী,
পাপের অতল গহীন দরিয়ার মাঝে ডুবেছি আমি ॥
তুমি ছাড়া করবে কে পার এই পাপের সাগর।

কথাঃ আব্দুস শাকুর তুহিন
সুরঃ সুমন আজিজ

হে খোদা দয়াবান হে প্রভূ রহমান

হে খোদা দয়াবান হে প্রভূ রহমান ॥
তুমি দিয়েছ আমাদের প্রাণ
তুমি গড়েছ বিশ্বজাহান ॥
তুমি করেছ আমাদের অপার করুণা দান।

তুমি দিয়েছ ঝর্ণা ধারা,
পাহাড়ের বুক চিরে রাতেরও আঁধারে
ফুটিয়েছ ফুলসম তারা ॥
ঐ জ্বোনাকী ও পাখি কাড়ে হৃদয় ও মনন।

তুমি দিয়েছ সাগর নদী
গগনে পবনে কাননে অরণ্যে
দেখি শুধুই তোমার অতুল ছবি ॥
ঐ বৃষ্টি মেঘমালা করে হৃদয়ও হরণ।

কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন

কতটা রাত কেটেছে, কতটা দিন কেটেছে

কতটা রাত কেটেছে, কতটা দিন কেটেছে
অবহেলায়-অবহেলায়-
ধরবে তুমি জানি শেষ দিনেতে
প্রতিটি মূহুর্তের হিসেব নিতে
কি জবাব দেব, নাই জবাব নাই।

রাত কেটেছে আলস্যে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে,
সকাল পেরিয়ে দুপুর গড়িয়ে সন্ধ্যা এলো ঘনিয়ে।
তোমাকে ডাকা হয়নি তোমাকে স্মরণ করা হয়নি
জানি না কেন যে হায়।

অলিমান্‌ খফা মা ক্বমা রব্বিহি জান্নাতান।

তোমার ভয়ে ভীত হয়ে হয়েছি নত,
আমার যত ভুল, দাও না করে ফুল ক্ষমা কর পাপ যত।
তোমার রহম থেকে হইনি আমি নিরাশ
তুমি রহিম, তুমি রহমান
আশাবাদী আমি তাই।

কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন।

সুম্মা লা তুস্‌আলুন্না ইয়াওমা ইযিন আনিন্‌ নায়িম

সুম্মা লা তুস্‌আলুন্না ইয়াওমা ইযিন আনিন্‌ নায়িম ॥
তোমার ঐ হাত কে দিল তোমার ঐ পা কে দিল।
তোমার ঐ চোখ কে দিল তোমার ঐ নাক কে দিল।
তোমার ঐ কান কে দিল তোমার ঐ মুখ কে দিল।
বানালো শ্রেষ্ঠ তোমায় কোন সে মহামহীম,
কার ইশারায় তোমার তরে সারা যমিন।
লা ক্বদ্‌ খলাক্বনাল ইনসানা ফি আহ্‌সানি তাকউইম।

হাজারো শব্দ মাঝে শুনলে একটি নাম (আল্লাহু),
কথা বলার ক্ষমতা দৃষ্টি অফুরান (আল্লাহু),
কে দিল তোমার হাতে শক্তি অফুরান
পায়ে চলার ক্ষমতা নাকে মধুর ঘ্রাণ।
ফাবি আইয়ি আলা ই রব্বি কুমা তুকাজ্জিবান।

মায়ের বুকে কে দিল প্রেম ভালবাসা (আল্লাহু),
মাঠে মাঠে সোনার ফসল রঙিন আশা (আল্লাহু),
পথের দিশায় কে দিল অন্ধকারে নূর
হৃদয়ের পাপ কালিমা কে করে দেয় দূর।
ক্বলু আলহামদুলিল্ল্লাহি রব্বিল আ’লামিন ।

কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন

রাত নিঝুম অন্ধকার চারিধার

রাত নিঝুম অন্ধকার চারিধার ॥
জেগে আছি আমি
জেগে আছে দুরের ঐ পাহাড় ॥

জেগে আছে চাঁদের আলো কত শত রাতজাগা পাখি,
জেগে আছে শাখে শাখে ফুল-কলি রঙ্গিন স্বপ্ন পাখি ॥
জেগে আছে ঐ নদী জেগে আছে ঐ সাগর
জেগে আছে শান্ত সরোবর।

জেগে আছে আকাশে কোটি কোটি গ্রহতারা,
গান গেয়ে যায় তারা তোমারি নামে হয়ে পাগলপারা ॥
শুধু আমি এই পাপী ডাকতে পারিনা তোমায়
ক্ষমা কর ওহে পরোয়ার।

কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন

বলতো কার ইশারায় পূব গগনে সুর্য ওঠে

বলতো কার ইশারায় পূব গগনে সুর্য ওঠে
বলতো কার ইশারায় হরেক রকম ফুল ফোটে।
বলতো কার ইশারায়, নদীরা যায় বয়ে যায়
পাখি ডেকে ওঠে।

বলতো কার ইশারায় মেঘের পাহাড় বৃষ্টি ঝরায়
কার ইশারায় কোকিল কুহু কুহু গান গেয়ে যায়।
সাগরের বুকে জোয়ার বল না ইশারা কার ॥
কার হুকুমে ঝর্ণাধারা ছোটে।

বলতো কার ইশারায় শিশির কণা সবুজ ঘাসে
কার ইশারায় তারার মেলা বসে ঐ আকাশে ॥
আকাশের গ্রহ তারা কার প্রেমে পাগলপারা ॥
কার হুকুমে শাপলা শালুক ফোটে।

কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন

চাঁদের আলো এই হৃদয়ে

চাঁদের আলো এই হৃদয়ে
দোলা দিল ঐ চাঁদের আলো,
ঝিকিমিকি ছলাৎ হলাৎ
নদীর জলে শোভা টলোমলো।

কুলুকুলু কলতানে
ঢেউয়ের তালে তালে কি সুর বাজে,
ভাটির টানে ছুটে চলা নদী
মুর্ছনা দেয় সুর হৃদয় মাঝে।
সেই সে গানের সুর হৃদয় কাননে
প্রভুর প্রেমের শত ফুল ফুটালো।

ঝিকিমিকি জ্বলে তারা
দেখে আমি হই আত্মহারা,
সন্ধ্যা রাতের ঐ নীলিম গগন
হৃদয় মননে দেয় প্রেমের নাড়া।
সেই সে প্রেমের সুখ কবির কলমে
আল্লাহ্‌ তায়ালার শত হামদ্‌ ঝরালো।

কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন

আমার ইচ্ছে করে ঐ আকাশের নীল হতে

আমার ইচ্ছে করে ঐ আকাশের নীল হতে,
মেঘের ভেলা হয়ে পাহাড় চুড়া ছুয়ে বৃষ্টি কণা হয়ে ঝরতে।

আমার ইচ্ছে করে সবুজের রূপ ধরে
হারিয়ে যেতে পাতায় পাতায়,
হলদে শাড়ি পরে কদম ফুলের পরে
বর্ষায় রূপেরও মাধুরী ছড়াই ॥
কৃষ্ণচুড়ার বুকে বিলীন করে নিজেকে
ইচ্ছে করে ফাগুনের ফুল হয়ে ফুটতে।

আমার ইচ্ছে করে শান্ত জলাধারে
শাপলা-শালুক হয়ে ভেসে যাই,
সাদা কাশফুল হয়ে শুভ্রতা বুকে নিয়ে
কূলজুড়ে নদীরই শোভা বাড়াই ॥
স্রোতের ভেলায় ভেসে গ্রামের ঐ কোল ঘেষে
ইচ্ছে করে সাগরের মোহনায় মিলতে।

আমার চাওয়া যত সব কিছু মহান প্রভূর করুণা
তার করুণা পেলে আমি আর কিছুই চাইনা।

কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন

এই ধরনীতে যা কিছু রয়েছে

এই ধরনীতে যা কিছু রয়েছে
ঐ আসমানে যত কিছু রয়েছে,
তোমার মহিমা গায় শুধুই তারা।
তুমি অধিপতি, তুমি প্রশংসিত
ক্ষমতার মসনাদে তুমিই খাড়া।

রাতের পরে তুমি দিনের আলো দাও,
শুষ্ক যমিনে বৃষ্টি ঝরাও ॥
অবগত আছ তুমি সকল বিষয়,
প্রকাশ্যে গোপনে যা করি মোরা।

সুরযের আলো আর চাঁদের কিরণ,
দিলে প্রভূ তারকা সাগর উদ্যান ॥
মহাদ্রষ্টা তুমি ওগো দয়াময়,
প্রকাশ্যে গোপনে যা করি মোরা।

কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন

এই পৃথিবীর দিকে তাকালে

এই পৃথিবীর দিকে তাকালে
তোমার নিয়ামাতে হৃদয় দোলে।
ঐ ফুল ও পাখি ঐ বাগান বিথী
যেন প্রভু তোমারই কথা বলে।

গাছ গাছালীর শাখে শাখে
নদ-নদীর ঐ বাঁকে বাঁকে।
তোমারি করুণা ঝরে, অবিরত থরে থরে।
বাতাসের তালে তালে, শনশন সুর তুলে
ধান ক্ষেতে ধান গাছ দোলে দোলে।

ঐ আকাশের নীলে নীলে
অতল গহীন ঐ সাগর জলে।
তোমারি রহম ঝরে, বর্ষার বারিধারে।
পাহাড়ী ঝর্ণাধারা, তোমাতেই দিশেহারা
কুলু কুলু ধ্বনি তুলে বয়ে চলে।

কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন

আব্দুস শাকুর তুহিনঃ ধন্য হলো এই ধরনী

ধন্য হলো এই ধরনী
তোমার অপার দানে,
আকাশ বাতাস চাঁদ সেতারা
হাঁসল খুশি মনে।

ঐ চাঁদ নিল তোমার আভা ঐ সুরুজ ও নিল,
আলোকিত বসুন্ধরা পেয়ে সেই আলো।
তিমির নিশির শেষে প্রভাত এলো ভুবনে।

গোলাপ নিল সৌরভ তোমার শেফালি বকুল,
সুবাসিত বিশ্ব ভূমি পেয়ে শত কুল।
জুটল তোমার প্রেমেরি মৌ হৃদয়ও কাননে ।

কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন

আকাশে মেঘের কোণে, চাঁদ হাসে আপন মনে

আকাশে মেঘের কোণে, চাঁদ হাসে আপন মনে।
তারারা আলো ছড়ায়, সুরুজ ও কিরন বিলায়।
সবি যে তোমার ইশারায়।

সবুজের সমারহে মন হারার কি যে মোহে
কি আছে তাদের মাঝে,
রবির ঐ রোদের পাশে শিশিরও যেন হাঁসে
সকালের সবুজ ঘাসে।
কেন সে মধুর হাঁসি ছড়ায়।

আকাশের বুক হতে কে ঝরায় বৃষ্টি শীতল,
কে দিল মোদের তরে উর্বর এই যে ভূতল।

সাগরের অসীম জলে কে দিল মুক্ত ঢেলে
ঝিনুকের ছোট বুকে,
পেয়ে কার মেহেরবানী সাগরের শান্ত পানি
ফেঁপে ওঠে জোয়ার রূপে।
কেন সে আবার নেমে যায়।

কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন

Sunday, 15 August 2010

মালেক ভাইয়ের শাহাদাতের

( আজ ১৫ই আগষ্ট শহীদ মালেক স্বরনে এ গানটি পোস্ট করলাম)

মালেক ভাইয়ের শাহাদাতের
রক্ত রাঙ্গা পথে
হামিদ শাব্বির আইয়ুব ওরা
চলেছে এক সাথে............

...সেই পথেরই শেষ ঠিকানা জানো কি কোনখানে
সেই পথেরই শেষ ঠিকানা জান্নাতের বাগানে
আবে কাওসার আবে হায়াতের পিয়ালা হাতে।।

ফেরদাউসের দরজা হতে আসমানী আহবানে
শাহাদাতের খুশবূ মেখে চলেছে সেইখানে।

বুক ফেটে যায় কান্না ফুরায়
মালেক মালেক বলে
আমার শাব্বির, হামিদ, আইয়ুব
কোথায় গেলো চলে
না না তোমরা আর কেঁদো না
ওরা বেঁচে আছে
ওরা চলেছে একসাথে...............

-খন্দকার রাশিদুল হাসান-

Saturday, 31 July 2010

ত্রিভুবনের প্রিয় মোহাম্মদ এল রে দুনিয়ায়

ত্রিভুবনের প্রিয় মোহাম্মদ এল রে দুনিয়ায়
আয় রে সাগর আকাশ বাতাস, দেখবি যদি আয়।।

ধুলির ধরা বেহেশ্ত আজ
জয় করিল, দিল রে লাজ,
আজকে খুশীর ঢল নেমেছে ধূসর সাহারায়।।

দেখ আমিনা মায়ের কোলে
দোলে শিশু ইসলাম দোলে,
কচি মুখের শাহাদাতের বানী সে শোনায়।।

আজকে যত পাপী তাপি
সব গুনাহের পেল মাফি
দুনিয়া হতে বে-ইনসাফী জুলুম নিল বিদায়।।

নিখিল দরুদ পড়ে ল'ইয়ে ও নাম
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসসাল্লাম
জীন পরী ফেরেশ্তা ছালাম জানায় নবীর পায়।।

-কাজী নজরুল ইসলাম-

নিখিলের চির সুন্দর সৃষ্টি

নিখিলের চির সুন্দর সৃষ্টি
আমার মোহাম্মদ রসুল
কুল মাখলুকাতের গুল্বাগে
যেন একটি ফোটা ফুল।।

নুরের রবি যে আমার নবী
পুণ্য করুনা ও প্রেমের ছবি
মহিমা গায় তারি নিখিল কবি
কেউ নয় তার সমতুল।।

পিয়ারা নবী যেই এলো দুনিয়ায়
হাসিল নিখিল আলোক- আভায়
পুলক লাগিল তরু ও লতায়
খুশিতে সবাই মশগুল।।

আঁধার রাতের সে যে চাঁদের কিরণ
করু সাহারার বুকে সুধা বরিষন
নীরব ধরার গুল বাগিচাতে যেন
গান গেতে এল বুলবুল।।

-গোলাম মোস্তফা-

কোন এক শিল্পীর

কোন এক শিল্পীর শিল্পে ভরে আছে পৃথিবী
যার মহিমা বুকে এঁকে বন-বনানীর সবুজ সবি
সেই শিল্পীর জন্যে আমার
জীবনের সকল গীতিকা
পুষ্প নিয়ে এই মালিকা।

নিসর্গ মগ্ন প্রকৃতির দেশে
যেদিকে তাকাই খুঁজে পাই তারে শেষে
মৌন ফুলের বুকে তারই সুধা
কোকিলের তানে তার স্বরলিপিকা।।

মরন নদীর গিয়ে ওপারে
পাবই খুঁজে আমি পাব যে তারে
যে জন চাইবে যা তা যেন পায়
আমি যেন পাই শুধু ফুলবীথিকা।।

-মোস্তফা শওকত ইমরান-

রাব্বুল আলামীন আল্লাহ মহান

রাব্বুল আলামীন আল্লাহ মহান
কোতী কোটি শুক্রিয়া
গাবো তারি গান।।

এই পৃথিবী
সাজানো এ সবই
কার ভালোবাসা আর মমতার দান
কে সে কে বলো এতো মেহেরবান।

চাঁদোয়া রাত
জোনাকীর আলো
ঝিক্মিক তারা
লাগে কি যে ভালো
কে দিলো
বলোতো
তাকে কি ভোলা যায়
ভুলে থাকা যায়
না না না না
ভোলা যায় না
ভোলা যায় না
ভুলে থাকা যায় না
ভুলে থাকা যায় না
তাকে তো ভোলা যায় না।
ভুলে থাকা যায়না
তাকে তো ভোলা যায় না।
আমরা সবাই আজ
তাঁরই গান গাইবো
তাঁরই দেয়া ইসলামে
আজীবন চল্বো।
আমরা সবাই আজ
তাঁরই গান গাইবো
তাঁরই রঙ্গে আমাদের
জীবঙ্কে রাঙ্গাবো
এ শপথ
এ দোয়া
কবুল করো হে আল্লাহ।
এসো তবে
আজ সবে
গেয়ে যাই
কোরানের আলোকে
জীবনের গান
সত্য সুন্দর
জীবনের গান

এসো ভাই সকলে
গেয়ে যাই জীবনে
কোরানের আলোকে
জীবনের গান
ঝলমনে রবি
সোনাঝরা পৃথিবীটা
অপরুপ ছবি
ফুলকলি হেসে উঠে
পাপড়ি মেলে
সে অনন্য শিল্পীর
তুলনা কি চলে
না না না না
তুলনা হয়না
তুলনা হয় না।

ফুলগুলো কি কথায়
হেসে ওঠে
কোন গানে পাখিদের
মুখ ফোটে
জানো কি না জানো না
বোঝো কি না বোঝো না
বলোতো
কে সে কে
তাকে কি ভোলা যায়
ভুলে থাকা যায়
ভোলা যায় না
ভোলা যায় না
ভুলে থাকা যায় না
সত্য সুন্দর জীবনের গান
রাব্বুল আলামীন
আল্লাহর গান
মহানবী মহানেতা
রাসুলের গান
ইসলামী জীবনের
বিজয়ের গান

-মাঞ্জুর মোয়াজ্জম-

মোরা হতে চাই

মোরা হতে চাই প্রিয়তম তোমার
মোদের কবুল কর হে পরওয়ার।।

মোরা হতে যেন পারি সত্যবাদী
যেমন ছিলেন আবুবকর
মোরা হতে যেন পারি নির্ভিক সৈনিক
যেমন ছিলেন নেতা ওমর
এই মোনাজাত তোমার কাছে খোদা
করি মোরা বার বার।।

তোমার কাছে একটি শপথ করছি মোরা
আনবো এবার আমরা নতুন স্রোতের ধারা
জাগাবো সকল ঘুমের পাড়া

সেই ধারাতে আসবে সুদিন
সাজবে ধরা নব সাজে
সেই ধরাতে কায়েম হবে ফের
খোদার বিধান এ সমাজে
দুঃখ যাতনা ঘুঁচবে সেদিন আর শান্তির আসবে জোয়ার।।

-সালমান আযামী-

আল্লাহ তুমি সৃষ্টিকারী

আল্লাহ তুমি সৃষ্টিকারী
সকল জীবের লালনকারী
তোমার নামে নিরবধি
জীবন পথে দেব পাড়ি।।

তোমার নামে পাখি গায়
ঝর্ণা ধারা ছুটে যায়
কুলুকুলু নদীর ঐ তান
কোকিলের ঐ কুহু তান
সবই তোমার সৃষ্টি প্রভু
তুমি সবার পালন কারী।।

মৌনতা ঐ আকাশে
ছবি আঁকা সবুজে
মুগ্ধ মধুর হৃদয় আমার
পায় খুঁজে যে রুপ তোমার
শিল্পীর সেরা শিল্পী তুমি
গাই যে গান তোমারি।।

-হাসান আখতার-

Friday, 30 July 2010

যদি সাগরের জলকে কালি করি

যদি সাগরের জলকে কালি করি
আর গাছের পাতাকে করি খাতা
আর একে একে লিখে যাই মহিমা তোমার
তবুও রইবেনা একটিও পাতা।

তুমি মাঠ ভরে দিলে ফসলেও সম্ভার
সঘন বরষা দিলে রৌদ্রেরও উপহার
ভালবেসে দিলে প্রেম প্রীতি মায়া মমতা
আর একে একে লিখে যাই মহিমা তোমার
তবু রইবেনা একটিও পাতা।

যেমন দিয়েছ আলো তেমনি বাতাস
অন্তরে দিলে জ্ঞান আকাশ আকাশ

তুমি শেষ নবী দিলে আমাদেরও জন্য
যেন পথ ভুলে না হই পাপীদের মাঝে গন্য
ভালবেসে দিলে পাক- কোরানের বারতা
আর একে একে লিখে যাই মহিমা তোমার
তবু রইবেনা একটিও পাতা।

-রেজাউল করিম-

Saturday, 24 July 2010

তোমার বন্দনার ভাষা খুঁজে পাইনা

তোমার বন্দনার ভাষা খুঁজে পাইনা,
কোন গানে ডাকি তোমায়
কোন সুরে ডাকি তোমায়
বুঝে আসে না।

আ আ আ আ
কোকিলের মত যদি কন্ঠে থাকিত সুর,
তোমার নামে গান গাইতাম সুমধুর।
দোয়েলের মত করে
মুহু মুহু মুহু স্বরে।
ডাকা হয় না।

জোছনা বিলিয়ে চাঁদ তোমাকে স্মরে,
সুবাস ছড়ায় সুল তোমার তরে।

সময়ের বাঁকে বাঁকে পথ চলা অবিরাম,
জীবনে প্রয়জনে অবিরত সংগ্রাম।
পাহাড়ের বুক চিরে
ঝর্ণার মত ধীরে/ নিভৃতে ধীরে ধীরে।
ডাকা হয় না।

কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন

রাসুলুল্লাহ

লাখো মানুষের ভিরে
এ চোখ খুঁজে ফিরে
সে মানুষ, যিনি শুধু একজন।

রাসুলাল্লা হাবীবাল্লা শাফিআল্লা নাবীআল্লা

দুশমন পথে তাঁর কাঁটা বিছিয়ে দিতো
হাসি মুখে তিনি তা সয়ে যেতেন
যদি কোনো একদিন থাকতোনা পথে কাঁটা
তার কথা ভেবে মনে দুঃখ পেতেন

হয়তো বিপদ তার নয়তো কোনো অসুখ
শত্রুর তরেও বিলিয়ে যেতেন সুখ
এসো তার মতো আজ ভালোবেসে যাই
সকলের তরে আজ নিজেকে বিলাই

অভাবীর দূঃখে তার ঝরতো চোখের জল
বুক ভরা বেদনার নদী বয় অবিরল
অনাহারী অভাগা অসহায়ের মুখে
নিজের খাবার তুলে দিতেন কত সুখে

আজকে এ পৃথিবীর অসহায় মানবতা
খুঁজে ফেরে তেমনি মানুষ একজন
অন্যায় প্রতিরোধে সাহসী পাহাড়
সত্য ও মুক্তির চির আপন

হাসান আল বান্না
(coming soon...)

Man Ahabba Lillah

Man Ahabba Lillah, Wa Abgodha Lillah.
Wa Mana’a Lillah, Wa A’ta Lillah.
Fa Qa Dis Takmalal Eman.
Allah Allah, Allahu Allah.

If u love someone then love for only Allah,
If u hate someone then hate for only Allah.
If u give something then give for only Allah,
If u give nothing, don’t give for only Allah.
Only for Allah, Only for Allah.
Everything should be done only for Allah.

There will be nothing to shade in the doomsday,
Everyone will be burnt by the hot sun ray.
Those who love each other only for Allah,
They’ll get shelter under shade of A’rshallah.
Allahu Allah, Allahu Allah,
Everything should be done only for Allah.



Lyric, Composition & Sung: Abdus Shakur Tuhin

Friday, 23 July 2010

সময়ের গান

সময় সময় সময়ই হয়
সময় পথের বাধা,
কখনো সে জীবন হাসায়
কখনো সে কাঁদা ।।

সময় আনে পথের গ্লানী
সময় ধরে বাজি,
সময় ঘুমায় সময় সময়
কখনো বা তাজী ।
সময় সহজ সমীকরণ কিংবা কঠিন ধাঁধাঁ ।

সময় আনে অনেক প্রাণে
আঁধার কালো রাতি,
সময় জ্বালে স্বপ্ন সকাল
সময় আশার তাঁতী ।
আমার সময় বাগানে হায় ঝরে সজীব গাঁদা ।

কথা ও সুর : আব্দুস শাকুর তুহিন

Mother My Mother

None is so affectionate like her,
So kind with heartfelt love like her.
Mother….mother…mother, O dear mother.

In our childhood Who cared for us all the times.
Who did cover and guard over us All the nights.
Morning and evening, When we’re crying,
Who fed us and gave shelter.

Al Jannatu Tahta Akdamil Ummahat.

Redar Rob Fi Redal Walidayin.
Sakhatur Rob Fi Sakhatil Walidayin.
Love Allah Allah, Love Rasulallah.
And then love beloved mother.

Lyric & Tune: Abdus Shakur Tuhin

আমার যখন ফুরাবে দিন

হায়রে জীবন......
মৃত্যুই শেষ ঠিকানা
পৃথিবীর সবব্রে মুছে দেবে
(তখন আর কেউ সাথে থাকবেনা x2)

আমার যখন ফুরাবে দিন
আসবে গহীন রাতি
থেকো প্রভু এ জীবনে
হয়ে চির সাথী x2

জীবন নদীর দুকুল জুড়ে
আসলে অমানিশা
থাকবেনা আর দু'চোখ জুড়ে
একটু আলোর দিশা

সেদিন আমার সেদিন আমার সেদিন আমার
আঁধার গোরে তুমি থেকো বাতি
আসবে গহীন রাতি

আমার যখন ফুরাবে দিন
আসবে গহীন রাতি
থেকো প্রভু এ জীবনে হয়ে চির সাথী
আসবে গহীন রাতি

আমার আমার বলে যখন
কাউকে পাবোনে
(সেদিন আমার শুন্য হিয়ায়
তুমি থেকো শান্তনা x২ )

আঁখির আলো নিভবে যেদিন
মনে আলো দিয়ে
আসবেনা কেউ অন্ধ চোখে
একটু আলো নিয়ে x2

সেদিন আমার সেদিন আমার সেদিন আমার
আঁধার গোরে তুমি থেকো বাতি
আসবে গহীন রাতি

আমার যখন ফুরাবে দিন
আসবে গহীন রাতি
থেকো প্রভু এ জীবনে হয়ে চির সাথী
আসবে গহীন রাতি

আমার আমার বলে যখন কাউকে পাবোনা
সেদিন আমার শুন্য হিয়ায়
তুমি থেকো শান্তনা
তুমি থেকো শান্তনা

আঁখির আলো নিভবে যেদিন
মনের আলো দিয়ে
আসবেনা কেউ অন্ধ চোখে
একটু আলো নিয়ে

সেদিন আমার সেদিন আমার সেদিন আমার......
অন্ধ চোখে তুমি আলোর জ্যোতি
আসবে গহীন রাতি

আমার যখন ফুরাবে দিন
আসবে গহীন রাতি
থেকো প্রভু এ জীবনে হয়ে চির সাথী
আসবে গহীন রাতি

কথা, সুর ও কন্ঠঃ তারিক মুনাওয়ার

Thursday, 22 July 2010

হাজার ফুলের মাঝে গোলাপ যেমন

হাজার ফুলের মাঝে গোলাপ যেমন
হাজার ছাত্রের মাঝে তোমরা তেমন।
স্বাগতম সুস্বাগতম,
তমাদের সুস্বাগতম।

তোমরা হলে দেশ ও জাতির ভবিষ্যত
সব বাধা পায়ে দলে,
সত্যের পথে চলে
নাওনা দৃড় শপথ।
থেমে যেওনা কভু সংশয়ে
দেশ গড়ার দৃড় প্রত্যয়ে।
মাড়িয়ে দাও পথ দুর্গম।

হাজার স্বপন দেয় যে উঁকি মা-বাবার বুকে
স্বপ্নের চাষ কর,
জীবনের হাল ধর
কঠিন স্রোতের মুখে।
স্বপ্নের মোহনায় চলো চলো
ঝড় এলে পাল তোলো পাল তোলো।
গান গাও জীবনের হরদম।

আব্দুস শাকুর তুহিন

আমার হাতের কলমটা হায়

আমার হাতের কলমটা হায়
কোথায় জানি হারিয়ে গেছে,
কলম! না, সে তুর্ণ শায়ক-
মরীচাতে জড়িয়ে গেছে।

খাতায় আমার নেইকো পাতা
বিরান ফাঁকা শুষ্ক মরু,
উধাও! একি! পাইনা খুঁজে
ছায়া দেবে- এমন তরু।
কলম খাতার শোকে আমার
শব্দ পুকুর শুকিয়ে গেছে।

পাখির ডানায় নেইকো পালক
কেম্নে ডাকে কুহু,
আঁৎকে উঠি, একি শুনি!
কুহু তো নয়, উহু!

আমার কলম আমার খাতা
দে ফিরিয়ে সময়-বাজ,
পাখির ডানায় পালক দে তুই
তার স্বরে সে ডাকুক আজ।
শকুন- শেয়াল বাদ দে খেয়াল,
আকাশ নদি বাণ ডেকেছে।

আব্দুস শাকুর তুহিন

হাসো প্রান খুলে হাসো

হাসো প্রান খুলে হাসো
ধীরে কিবা জোরে হাসো,
বোকা বানিয়ে হাসো
হেসে হেসে সুখে ভাসো,
হাসির জোয়ারে সবে হওগো আকুল,
এপ্রিল ফুল, আজি এপ্রিল ফুল।

গ্রানাডার মসজিদে জ্বললো আগুব এই দিনে হায়,
অসহায় বন্দি মুস্লিম মা বোন পুড়ে হলো ছায়।
এ কি হাসির কথা!
একি স্বপ্রের কথা!
কোন লজ্জায় হাসো! হায়রে বেভুল!
এপ্রিল ফুল, ধিক! এপ্রিল ফুল!

বিশ্বজুড়ে আজো কত ফার্দিনান্দ জেগেছে,
তোমাদের রক্তে ওদের কালো হাত রেঙ্গেছে।
আর ঘুমাবে কত!
বসে থাকবে কত!
কোন লজ্জায় হাসো! হায়রে বেভুল!
এপ্রিল ফুল! ধিক! এপ্রিল ফুল!

হাসো প্রান খুলে হাসো
ধীরে কিবা জোরে হাসো,
বোকা বানিয়ে হাসো
হেসে হেসে সুখে ভাসো,
ধিক! শত ধিক! হাসো কন লজ্জায়!
গ্রানাডার মসজিদ কাঁদে নিরালায়।

আব্দুস শাকুর তুহিন

আমাদের বুকে জ্বলে কোরানের নুর

আমাদের বুকে জ্বলে কোরানের নুর
আমাদের বুকে বাজে কোরানের সুর।
মেনে নেবো না- না না নেবো না,
আল কোরানের অবমাননা-
হোক না এই পথ যত বেদনা বিধুর।

আমাদের দুচোখে স্বপ্ন ভাসে
গড়বো সমাজ কোরানের,
যায় যদি চলে যাক জীবন আমার
ভয় করিনা মরনের।
এ পথের বাঁকে বাঁকে আসলে বাঁধা
ভয় পেয়ে থেমে যাবো না।

ওমরের পথ ধরে মতিন সেলিম
চলে গেছে প্রিয় রশিদুল,
শীষ মোহাম্মদ শাহাবুদ্দীন
ওরা হলো জান্নাতী ফুল।

আকাশের সুর্যটা হয়ে যাবে ম্লান
কোরানের বানী অম্লান,
জেগেছে এখানে শত কোটই বীর
শত্রুরা হও সাবধান।
খোলাফায়ে রাশেদার সোনালী পথে
আমাদের পদচারনা।

কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন

মনের আকাশ মেঘলা আমার

মনের আকাশ মেঘলা আমার
মনের আকাশ মেঘলা,
চলছি পথে একেলা।

একলা পথে হাতছানি দেয় আঁধার অমানিশা,
হৃদয় ঘরে বসত করে দিশেহারা দিশা।
আমায় নিয়ে নষ্ট রথে
গভীর হতে গভীর পথে
ভাসালো কে ভেলা।

মনের গারির লাগাম ছিঁড়ে মন্ত্রনা দেয় কে যে,
হৃদ কাননে ক্ষনে ক্ষনে কান্না ওঠে বেজে।
ঝাপ্সা দেখি দোদুল দোলায়
স্বপ্নদাতা বলি তমায়
পথ দেখাও এই বেলায়।

আব্দুস শাকুর তুহিন

ও পাখি তুই কোথায় গেলি উড়ে

ও পাখি তুই কোথায় গেলি উড়ে,
তোরি মাতম সারা বাগান জুড়ে।

নেই বলে তুই-
পাতায় পাতায় বাতাসে দোল খায় না,
শাখায় শাখায় সুরের সুধা পাইনা।
তোর বিরহে কথামালা অঙ্কুরে যায় পুড়ে।

তোর বিরহে-
তন্ত্রী বিনায় ঢেউ খেলে না ধ্বনী,
কেইকো ফুলে অলীর গুঞ্জরণী।
আয় না ফিরে সুরের খাঁচায় রাখবো এবার মুড়ে।

কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন

ভালোবাসো যদি তুমি কাউকে

ভালোবাসো যদি তুমি কাউকে
ভালোবাসো আল্লাহ'র জন্য,
মন থেকে ঘৃনা যদি কর কাউকে
তাও করো আল্লাহ'র জন্য।

বন্ধুত্ব হয় যদি কারো সাথে
লক্ষটা যেন থাকে সৎ
সততার গুনে যে হয় বলীয়ান
ভোলে না সে আল্লাহ'র পথ।
আল্লাহ'র জন্য বন্ধু যদি হও
ঈমান হবে তবে পূর্ন।

শত্রু ভাবো যদি তুমি কাউকে
লক্ষ যেন হয় আল্লাহর সন্তোষ,
হৃদয় ও মন হোক উদার আকাশ
ভুলে যাও ব্যক্তিগত রোষ।

কাউকে যদি তুমি কিছু দান করো
মনে রেখো আল্লাহ'র ভয়,
না যদি করো দান কাউকে কিছু
তাও যেনো আল্লাহ'র তরে হয়।
আল্লাহ'র জন্য নিজকে সঁপে দাও
হবেন তিনি তোমার জন্য।

কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন

তুমি রহমান তুমি মেহেরবান

তুমি রহমান তুমি মেহেরবান
অন্ধ গাহেনা শুধু তোমারই জয়গান
বুঝেও বুঝেনা তব শান।।

জনম জনম যদি গাহি
তোমারি মহিমা গাওয়া
শেষ হবে নাহি
ভরেও ভরে না যেন সাহারা এ প্রান।।

অশেষ অসীম অনুপম
হৃদয় সুষমা তুমি
তুমি প্রিয়তম
প্রেমের আকাশে তুমি চির মহীয়ান।।

তোমারই করুনা ঘেরা সারা দুনিয়া
সে কথা ভাবেনা শুধু বধির হিয়া

কখনো তোমারে যদি ভুলি
হেদায়েতের আলো জ্বেলে
নিও কাছে তুলি
ঠাঁই দিও প্রিয়তম ওগো দয়াবান।।

-তোফাজ্জল হোসাইন খান-

আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহু

আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহু
পিউ পাপিয়া জপে সেই নাম
কোকিল জপে কুহু।
আল্লাহু আল্লাহু- আলহামদুলিল্লাহ।

ঐ নামেরি গান গেয়ে যায় গ্রহ চাঁদ সেতারা
পাহাড়ী ঝর্ণাধারা ঐ নামে পাগল্পারা।
ঐ নামেরি রৌশনীতে ওঠে পুবে রবি
ঐ নামেরি রঙ মেখে ভাই রঙ্গিন হল সবি
ঐ নামেরি সহদ পিয়ে দোয়েল ডালে মুহু।

ঐ নামেরি সুবাস মেখে ফোটে ফুল্কলি
গুন গুনিয়ে ছন্দ তুলে ছুটে শত ওলি।
ঐ নামেরি রেণুমাখা যত ফুলের বুকে
ঐ নামেরি দীপ্তি পেয়ে আছে সবাই সুখে।
ঐ নামেরি প্রেমে শত প্রেমিক ঝরায় লহু।

কথা ও সুরঃ আব্দুস শাকুর তুহিন

আঁখি জলে ভাসি

(উৎসর্গঃ শহীদ শরীফুজ্জামান নোমানী)

আখিঁ জলে ভাসি
আঁখি জলে ভাসি
আঁখি জলে ভাসে বুক,
আঁখিতে যখন, ভেসে উঠে হায়
নোমানীর চাঁদ-মুখ..
নোমানীর চাঁদ মুখ

আ আ আ আ আ আ
ও ও ও ও ও ও ও

পারিনা ধরে রাখিতে চোখেরো পানি
চলে গেছো প্রিয় ভাই, শহীদ নোমানী

হাসিমাখা মুখে
কাছে টেনে বুকে
জড়ায়ে নিতো সবারে.......
হাসিমাখা মুখ আজো ভাসে চোখে
শুধু তুমি নাই; আহারে !
তোমার পায়ের পরশমাখা মতিহারে নাই সুখ

কোরানের পথে
কোরানের মতে
জীবনের নাও বেয়েছো

চাওয়া-পাওয়া যত জীবনের আশা
কুরবানী করে দিয়েছো
আল্লাহর রঙে জীবন রাঙিয়ে
ভুলেছো হাজারো দুখ ...

কথা, সুর ও কন্ঠঃ আব্দুস শাকুর তুহিন
কৃতজ্ঞতাঃ তরঙ্গ এম ইসলাম (এ গানের কথাগুলো বাংলায় টাইপিং এর জন্য)


Wednesday, 21 July 2010

আমি যদি কোনোদিন পথ ভুলে যাই

আমি যদি কোনোদিন পথ ভুলে যাই
হাতছানী দিয়ে কাছে নিও
মমতার বন্ধনে আমায় বেঁধে
সব ভুল ক্ষমা করে দিও

জেনে না জেনে কত করি অপরাধ
কখনো করোনা তুমি বাধ- প্রতিবাদ
তোমার দয়ার সীমা নাই নাই নাই
সেই দয়া পেতে আজ কাঁদি আমিও

মমতার বন্ধনে আমায় বেঁধে
সব ভুল ক্ষমা করে দিও

আমি যদি কোনোদিন পথ ভুলে যাই
হাতছানী দিয়ে কাছে নিও
মমতার বন্ধনে আমায় বেঁধে
সব ভুল ক্ষমা করে দিও

ভুল ছাড়া জীবনে আর কি আছে
ভুল করে ফিরে আসি তোমার কাছে
তোমার দেয়া সেই আলোকিত পথ
যেই পথে খুঁজে পাই আসল কিমত
আজ শুধু ফরিয়াদ তোমার কাছে -২
সেই পথে চলবার শক্তি দিও

মমতার বন্ধনে আমায় বেঁধে
সব ভুল ক্ষমা করে দিও

আমি যদি কোনোদিন পথ ভুলে যাই
হাতছানী দিয়ে কাছে নিও
মমতার বন্ধনে আমায় বেঁধে
সব ভুল ক্ষমা করে দিও

কথাঃ জাকির আবু জাফর
সুরঃ মশিউর রহমান লিটন

Saturday, 17 July 2010

ইয়া ইলাহী! দাও আমাকে বলার সাহস দাও

ইয়া ইলাহী! দাও আমাকে বলার সাহস দাও
দাও সে ঈমান, দাও সে মেধা, (২) দাও সে ক্ষমতা ।।

অন্ধকারে আমি যেন
হাড়িয়ে না যাই কভু,
আমায় দেখে ওড়াও যেন
পথ খুজে নেয় প্রভু। (২)

তোমার নূরের সুরমা দিয়ে (২)- আমার চোখ সাজাও ।।

আমায় দেখে ওদের মনে জাগে যেন আশা
কোরআন থেকে ওরাও যেন নেয় খুজে সে ভাষা

অনেক পাপে জড়িয়ে গেছি
আমি গুনাহগার,
সেসব তুমি গোপন রেখ
হে রব, হে সাত্তার। (২)

তোমার নামের সেফাত দিয়ে (২) আমায় ডেকে নাও।।

ঐ পাহাড় আর গাছ গাছালী

ঐ পাহাড় আর গাছ গাছালী নীল ঝর্ণার গান
জানিগো প্রভু জানি যে শুধু সকলই তোমার দান।

ঐ আকাশ এই যে বাতাস
ইতোমার নামে তাসবিহ আঁকে
এ নদী ঐ যে সাগর
কলতানে তোমায় ডাকে
প্রকৃতির সুরে সুরে তোমারই নাম তোমার গান।।

আকাশের মিষ্টি গানে
বৃষ্টি নামে তোমার দানে
ধরণী ফুলে ফুলে সুশোভিত
তোমার দানে
সুরুজ আর চন্দ্র তারা নিত্য ছড়ায় আলোর বান।।

-আব্দুল হালিম চৌধুরী-

আল্লাহ মহান-আল্লাহ মহান

সাগর-নদী আর পাহাড়-বনে
পাখিদের গুন-গুন-গুঞ্জরণে
ভেসে আসে ওই সুমধুর তান
চারিদিকে শোন আল্লাহর জয়গান
আল্লাহ মহান-আল্লাহ মহান
আল্লাহ মহান-আল্লাহ মহান

শোন তুমি মন দিয়ে কোকিলের সুর
শুনতে লাগছে দেখো কত-না-মধুর
মিষ্টি-মিষ্টি ওই দোয়েলের গান
রয়েছে তাহাতে কী সুধা অফুরান

কোথা পেলো তাহারা এ-সুর অম্লান
জবাব পাবে, দিলো খোদা মহীয়ান

আল্লাহ মহান-আল্লাহ মহান
আল্লাহ মহান-আল্লাহ মহান

বলো যদি আকাশের ও-চাঁদ-তারা
কোথা পেলে স্নিগ্ধ এ জোছোনা-ধারা
সূর্যকে বলো যদি কোথা পেলে আলো
রাত্রী হলো কেন নিকষ কালো

কোথা পেলো মানব এক জীবন বিধান
জবাব একটা; সব-ই আল্লাহর দান

আল্লাহ মহান-আল্লাহ মহান
আল্লাহ মহান-আল্লাহ মহান

পাখিরা যায় উড়ে যায়

পাখিরা যায় উড়ে যায়

পাখিরা যায় উড়ে যায়
আকাশের ঐ নীলিমায়
নদীরা যায় বয়ে যায়
সাগরের ঐ মোহনায় x2
(পাখ পাখালী সাগর নদী x2)
কার গুন গান গায়

আল্লাহু আল্লাহ আল্লাহু আল্লাহ
আল্লার গুন গান গায় x2


দূর আকাশের অসীম নীলে
শাপলা শালুক ভরা ঝিলে x2
কার সুষমা কার মহিমা
লুকিয়ে আছে হায়

আল্লাহু আল্লাহ আল্লাহু আল্লাহ
আল্লার গুন গান গায় x2

মাঠ ভরা ঐ সবুজ মায়ায়
বিজন ঘাটে বটের ছায়ায় x2
কোন কারিগর কোন মনোহর
হাত বুলিয়ে যায়

আল্লাহু আল্লাহ আল্লাহু আল্লাহ
আল্লার গুন গান গায় x2


ঐ পাহাড়ের নিরবতায়
ঝর্না ধারায় চপলতায় x2
হে রহমান আল্লাহ মহান
তোমায় দেখা যায়

আল্লাহু আল্লাহ আল্লাহু আল্লাহ
আল্লার গুন গান গায় x2

পাখিরা যায় উড়ে যায়
আকাশের ঐ নীলিমায়
নদীরা যায় বয়ে যায়
সাগরের ঐ মোহনায়
(পাখ পাখালী সাগর নদীx2)
কার গুন গান গায়

আল্লাহু আল্লাহ আল্লাহু আল্লাহ
আল্লার গুন গান গায় x৩

তপ্ত মরুর বুকে শীতল সমীরনে

১)তপ্ত মরুর বুকে শীতল সমীরনে

তপ্ত মরুর বুকে শীতল সমীরনে
আগমন হলো রাসুলের
যাহারী পরশতে শান্তি এলো যার
পরাজয় হলো বাতিলের।

জুলুমাত বদ্ধ মানুষ খুঁজে পেলো
আলোকিত শান্তির নীড়
শোষিত মানুষ পেলো সুখের ঠিকানা
কুলহারা মাঝি পেলো তীর।

মানবতার মাঝে জেগেছে আশা
ঐ হেরার আলো কোরানের।

ঐ আকাশে সুর্য জেগেছে
আধাঁর পরাভুত
মিথ্যার কালেমা মোচন করে আজ
সত্য সমাগত।

রাসুলের পদভারে জামিন সরে
কোন সে মায়াবী পথিক
সুরভী ছড়ায় ফুল
পাখির মিষ্টি সুর
পৃথিবীর দিক বিদিকে।

তামাম জাহান জুড়ে বইছে হাওয়া
ঐ আরবে রাসুল আমিনের।

সোনালী সে দিন কবে খুলবে দুয়ার

সোনালী সে দিন কবে খুলবে দুয়ার
ব্যাথিত মানুষের চোখের পানি
নীরবে নিভৃতে ঝরবে না আর

ক্ষুধার্ত লোকেরা খাবার পাবে
মজলুম অসহায় বিচার পাবে
বঞ্চিত ঘরহীন পাবে আশ্রয়

বুক থেকে নেমে যাবে কষ্টের ভার

পবিত্র আলোতে ভরবে উঠোন
হিংসা ক্রোধ হবে বন্ধ
মানুষ মানুষ হবে মধুর স্বজন
ছুটবে মৃগনাভী গন্ধ

উপকারী মানুষের মনের আভায়
দেশ ভরে উঠবে সবুজ রাঙায়
ইনসাফ আদলের সজীব ধারায়

দূর হয়ে যাবে সকল আধার

লাখো শহীদের রক্তে লেখা

লাখো শহীদের রক্তে লেখা
আমার এই বাংলাদেশ
কত ঘাম কত কথা কত রক্ত ব্যাথা
এরপর ফিরে পাওয়া হাড়ানো স্বাধীনতা
স্বাধীনতা, স্বাধীনতা
স্বাধীনতা, স্বাধীনতা
চারিদিকে চুপচাপ নিশ্চুপ কোলাহল
বন্ধুর আহবান যুদ্ধে যাবি চল!!
কোষে কোষে বিদ্রোহ নতুন এক জাগরন
স্বদেশের জন্য লড়ে যাব আমরণ...
এ হে হে...
আপন জনের সুখ মাখা দিন রাত্রী শেষে
বিদায়ের সুর ভাসে বিষ...ন্ন বাতাসে
ও...
তোমাদের তরে এক শান্তির দেশ
এনে দিতে যুদ্ধে যাচ্ছি আমি
ভয় পেয়োনা ওগো স্বজন আমার
দোয়া কর কভু যেনো
পিছু না নামি।


মা... মা...মা...
সিরাজের এই দেশ
তিতুমির বেরলভী শরিয়তুল্লাহ
ক্ষুদিরাম... সেই সাথে অজানা কত
ত্যাগীদের এই দেশ...
অন্যায় অনাচার শোষণের হাত থেকে
মুক্ত করতে আমি যাচ্ছি মাগো...
তোমার ঐ মায়া ভরা আঁচলে জড়িয়ে
আমায় তুমি আর বেঁধে রেখ নাগো...
যুদ্ধে যাচ্ছি মাগো তোমার ছেলে...
দোয়া কর শুধু তার জন্য
যদি আর কোনোদিন ফিরে না আসিও
তবুও এ জীবন হবে মোর ধন্য...
এক শহীদের... মা হবে তুমি...
এক শহীদের... মা হবে তুমি...
শহীদের মা...
এরপর একদিন থেমে যায় যুদ্ধ
সব পাখি ফিরে আসে আপন নীড়ে
তবু একজন আজো অপেক্ষায়
ছেলে তার আসেনি ফিরে...
দিয়ে গেছে সবুজ সোনালী স্বদেশ
হাজারো শহীদের ভিরে...
আমার সোনার বাংলাদেশ
আমার সোনার বাংলাদেশ
আমার সোনার বাংলাদেশ...

গাছের সবুজ পাতা নিয়ে গান লিখে অনেকে

গাছের সবুজ পাতা নিয়ে গান লিখে অনেকে,
সাগর জলের অতল নীলে সুর খুঁজে অনেকে।
আমি কোন গান জানিনা
সুরের কারু কাজ বুঝিনা
ডাকি শুধু তোমাকে ( ও আল্লাহ )।

চাঁদ সেতারা গ্রহ নিয়ে কাব্য লিখে কবি,
ছড়াকারের ধুসর খাতায় রঙ ছড়ালো রবি।
আমি কোন কবিও না
লেখিয়ে ছড়াকারও না
ভালোবাসি তোমাকে।

রঙ তুলিতে হাতের ছোঁয়ায় নানান ছবি ফোটে
অভিনেতার অভিনয়ে সমাজ আসে উঠে ।
আমি কোন শিল্পীও না
দক্ষ অভিনেতাও না
চাহি শুধু তোমাকে।

কথা, সুর ও শিল্পীঃ আব্দুস শাকুর তুহিন

আল্লাহ তুমি অপরুপ

আল্লাহ তুমি অপরুপ
না জানি কতো সুন্দর x2
তোমায় আমি সপেছি প্রান
সপেছি এই অন্তর
আল্লাহ তুমি অপরুপ
না জানি কতো সুন্দর
তোমায় আমি সপেছি প্রান
সপেছি এই অন্তর
আল্লাহ তুমি অপরুপ

তোমার আলো ছড়িয়ে পড়ে
সুন্দর এই পৃথিবীতে
চাঁদ সুরুজ জেগে উঠে
তোমার ডাকে সাড়া দিতে x2

তুমি আছো বুকের গভীর
গহিন ভিতর
আল্লাহ তুমি অপরুপ
না জানি কতো সুন্দর
তোমায় আমি সপেছি প্রান
সপেছি এই অন্তর
আল্লাহ তুমি অপরুপ

এই দুনিয়ার মালিক তুমি
তুমি মেহেরবান
বৃক্ষলতা সাগর নদী
সবই তোমার দান x2

তোমার পথে চলি যেনো
সারাটি জীবন ভর
(আল্লাহ তুমি অপরুপ
না জানি কতো সুন্দর
তোমায় আমি সপেছি প্রান
সপেছি এই অন্তর x2)

জনতা সাগরে বলে যেতে চাই

জনতা সাগরে বলে যেতে চাই
মুমিনের কোনোদিন পরাজয় নাই x2

সুদিনের স্বপ্ন ভেঙ্গে গেলে ক্লান্তিতে
স্বপ্নের সমাধীতে সুরে শান্তিতে x2

এই পথে মুক্তির জানি কোনো আশা নাই x2
(Chorus)

আমাদের সামনে যে সীমাহীন পথ চলা
সুদুরের মাঞ্জিল যাত্রা
সাহস আর শক্তিতে বলীয়ান হওয়া চাই
চাই জীবনের নয়া মাত্রা

পৃথীবির এইটুকু জয় পরাজয়
সফলতা ব্যর্থতা শেষ কথা নয় x2

আল্লাহর সন্তোষ আমাদের পাওয়া চাই x2

হে রাসুল

হে রাসুল.........
বুঝিনা আমি
রেখেছো বেঁধে মোরে কোন সূতোয় তুমি

জানিনা গোপনে
কেমন করে
হৃদয়ে গড়েছো প্রেমের বলয়

তোমারি নামে আনন্দে দুলি
তোমারি নামে দুনিয়া ভুলি
কী যাদু রাখা এই নামে তে

খোদারও পরশে যে নাম আরশে
নাম মুহাম্মাদ শুধু মধুময়

স্বার্থবিহীন ছিলে চিরদিন
তুমি ইনসাফের প্রতীক
কুল আলমের শ্রেষ্ঠ নিয়ামাত
তুমি যে প্রাণের অধিক

তুমি প্রিয়তম আমিনা নন্দন
কুল মুসলিমের হৃদয় স্পন্দন
তুমি বিনে সবি অন্ধকার

থাকিতে দেহে প্রাণ
তোমারি সম্মান
দেবোনা দেবোনা লুটাতে ধুলোয়......

আল্লাহকে যারা বেসেছে ভালো

আল্লাহকে যারা বেসেছে ভালো
দু:খ কি আর তাদের থাকতে পারে
যারা লয়েছে মুখে কোরানের বাণী
হতাশা কি আর তাদের থাকতে পারে।।

সামনে বাড়ালো পা যারা আজ নতুন পৃথিবী গড়তে
জানাতো আছে তাদের সবার কত যে হবে লড়তে
জীবনের সব পিছুটান তাই হেরে যায় বারে বারে
দুঃখ কি আর .........

মায়ের আদর বোনের হাসি
সংসার সুখ প্রিয়ার ও মুখ
সব ছেড়ে চলে অজানার পথে
শত বেদনার স্মৃতি বয়ে যায়
মুখে যোদ্ধার হাসি

জীবন বাজি রেখেছে যে তারা মরন দিয়েও সুখ
আনবে আনবে ভাঙা মসনদে রাশেদার সেরা যুগ
শহীদি মিছিল চলে সম্মুখে রুখবে কে আজ তারে
দুঃখ কি আর .........

-চৌধুরী গোলাম মাওলা-

Thursday, 15 July 2010

আমাকে দাও সে ঈমান আল্লাহ মেহেরবান

আমাকে দাও সে ঈমান আল্লাহ মেহেরবান
যে ঈমান ফাঁসির মঞ্চে অসংকোচে
গায় জীবনের গান
আমাকে দাও সে ঈমান আল্লাহ মেহেরবান
যে ঈমান ফাঁসির মঞ্চে অসংকোচে
গায় জীবনের গান

আল কুরআনের আহবানে হেরার পথে এসে
জীবন দেবার স্বপ্ন ছিল দ্বীনকে ভালবেসে
আমাকে দাও সে আবেগ
দাও সে ঈমান
প্রভু হে রহীম রহমান

কোনো এক শহীদ আমার সুনীল আকাশ জুড়ে
হাজার তারার জ্বালতো প্রদীপ স্মৃতির ব্যাথা জুড়ে
সে দিন যেমন পেরিয়ে গেছি সকল বাধা গুলো
সকাল সাঝে থাকতো লেগে পায়ে পথের ধুলো
সে দিন গুলো মুখর ছিল, মধুর ছিল
সতেজ ও দ্বীপ্ত ছিল প্রান
আমাকে দাও সে ঈমান আল্লাহ মেহেরবান
যে ঈমান ফাঁসির মঞ্চে অসংকোচে
গায় জীবনের গান